সহজ ভাষায় মানুষ ও মহাবিশ্বের গল্প জানতে পড়তে হবে দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়ের ‘যে গল্পের শেষ নেই’ বইটি

বই পর্যালোচনাঃ

‘যে গল্পের শেষ নেই’ বইটি পড়তে পড়তে একজন বয়ষ্ক পাঠকের বারবার মনে হতে পারে ছোটবেলায় কেনো এই বই পড়িনি?


প্রচ্ছদঃ যে গল্পের শেষ নেই

কীভাবে মানুষ পৃথিবীতে এসেছে? লেখক মানুষের চলমান সেই সত্য গল্পকে তুলে ধরেছেন বইটির মাধ্যমে। বইটি শুরু হয়েছে আজ থেকে ৪৫০ কোটি বছর আগে থেকে এবং তার শেষ হয়েছে বর্তমান সময়ে। তিনি বলেছেন, এ গল্পের নায়ক-নায়িকা তুমি, আমি, আমরাই। তাই এ গল্পটা শুধু জানবার বা বুঝবার নয়। আগামীকালের অবস্থানটাও নির্ভর করছে তুমি-আমি-আমরা কতটা সার্থকভাবে এর পরের অধ্যায় রচনা করতে পারি, বুঝতে পারি, জানতে পারি, সেই জ্ঞানের ভিত্তিতে সত্যিই হাত লাগাতে পারি।  লেখক আরও জানিয়েছেন শাসক, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আর পুজিবাদের কথা। আমরা আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে যে কম মূল্য দেই নি সেই কথাও উল্লেখ করেছেন। সবকিছুর পরেও লেখক আশাবাদী, আজকের এই অবস্থাও একসময় ঘুচবে, আবার আমরা ফিরে পাবো সাম্যাবস্থা, পার্থক্য হবে শুধু চিন্তায়, জ্ঞানে-বিজ্ঞানে আর সম্পদে।


কবি পরিচিতিঃ

দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেন ১৯১৮ সালে এবং মৃত্যুবরণ করেন ১৯৯৩ সালে।  তিনি ভারতের একজন প্রখ্যাত মার্কসবাদী দার্শনিক ও লেখক। তিনি প্রাচীন ভারতের দর্শনের বস্তুবাদ  উদ্ঘাটন করেছেন। তাঁর সবচেয়ে বড়ো কাজ হলো লোকায়ত প্রাচীন দর্শনকে তিনি বিরুদ্ধপক্ষের বিকৃতি হতে রক্ষা করেন এবং তা সংগ্রহ ও প্রকাশ করেছেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন বিষয়ে ১৯৩৯ সালে বি এ এবং ১৯৪২ সালে এম এ পাশ করেন।


© আলমগীর কাইজার
/ মুক্ত প্রজাপতি 

No comments

Powered by Blogger.